Jilil বিশ্বাস করে বেটিং একটা বিনোদন – ক্ষতির কারণ না। দায়িত্বশীল খেলার মানে হলো নিজের সীমা জানা, সেটা মেনে চলা এবং বিনোদনটুকু উপভোগ করা। এই পেজে Jilil-এর সব টুল ও গাইডলাইন পাবেন।
Jilil-এ দায়িত্বশীল বেটিং শুধু একটা নিয়ম না – এটা আমাদের সদস্যদের সুস্থ ও সুখী রাখার প্রতিশ্রুতি।
প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহ বা প্রতি মাসে কত টাকা জমা করবেন সেটা আপনি নিজেই নির্ধারণ করতে পারেন। একবার সেট করলে সেটা সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয়।
একটু বিরতি দরকার? ২৪ ঘণ্টা থেকে শুরু করে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত বেটিং থেকে বিরতি নিন। এই সময়ে অ্যাকাউন্ট লক থাকে।
দীর্ঘমেয়াদে বেটিং থেকে দূরে থাকতে চাইলে স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদী সেলফ-এক্সক্লুশন বেছে নিন। তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়।
নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি হারলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেটিং বন্ধ হয়ে যাবে। এটা আপনাকে বড় ক্ষতি থেকে বাঁচায়।
এক টানা কতক্ষণ বেটিং করবেন সেটা আগে থেকে সেট করুন। নির্ধারিত সময় শেষ হলে একটা রিমাইন্ডার পাবেন।
Jilil-এর সাপোর্ট টিম দায়িত্বশীল বেটিং বিষয়ে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত। কথা বলুন – বিচার না করে সাহায্য করবেন।
সমস্যা মনে হলে দেরি না করে আমাদের সাপোর্ট টিমের সাথে কথা বলুন।
লাইভ চ্যাটে যানJilil চায় আপনি দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বেটিং উপভোগ করুন। এই পেজের প্রতিটা তথ্য আপনার জন্য – বিপদের সময় পাশে থাকতেই এটা তৈরি।
দায়িত্বশীল খেলা মানে শুধু কম বাজি ধরা না – এটা একটা মনোভাব। বেটিং যখন বিনোদন হিসেবে থাকে, তখন এটা জীবনে আনন্দ যোগ করে। কিন্তু যখন এটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয় এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তখন ক্ষতি শুরু হয়।
Jilil-এ দায়িত্বশীল খেলার মানে হলো তিনটি জিনিস একসাথে মেনে চলা। প্রথমত, নিজের আর্থিক সীমার মধ্যে খেলা – যে টাকা হারালে আপনার দৈনন্দিন জীবনে সমস্যা হবে না সেটাই বাজি ধরুন। দ্বিতীয়ত, সময়ের ব্যাপারে সচেতন থাকা – বেটিংয়ে কতটা সময় দিচ্ছেন সেটা খেয়াল রাখুন। তৃতীয়ত, মানসিক অবস্থার প্রতি মনোযোগ দেওয়া – রাগে, দুঃখে বা চাপে থাকলে বেটিং না করাই ভালো।
বাংলাদেশে ক্রিকেটের প্রতি মানুষের আবেগ অনেক গভীর। বাংলাদেশ দল খেলছে, সবাই উত্তেজিত – এই মুহূর্তে বাজি ধরাটা স্বাভাবিক মনে হয়। কিন্তু ঠিক এই উত্তেজনার সময়েই বেশি ভাবনাচিন্তা না করে বড় বাজি ধরে ফেলার ঝুঁকি থাকে। Jilil মনে করে এই মুহূর্তগুলোতে একটু থামা এবং ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই দায়িত্বশীল খেলার মূল কথা।
বেটিং কখনো আয়ের উৎস হিসেবে ভাবা ঠিক না। দীর্ঘমেয়াদে ক্যাসিনো বা বেটিং থেকে নিয়মিত লাভ করার কোনো নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি নেই। যারা বেটিং থেকে আয়ের কথা ভাবেন তারা প্রায়ই বেশি ক্ষতির মুখে পড়েন। Jilil সবসময় পরিষ্কার করে বলে – এটা বিনোদনের জায়গা, আয়ের না।
অনেক সময় বোঝা যায় না যে বেটিং সমস্যায় পরিণত হয়েছে। নিচের লক্ষণগুলো দেখলে সতর্ক হওয়া দরকার।
ভাড়া, বাজার বা সন্তানের পড়ার টাকা দিয়ে বাজি ধরলে বা ধরার কথা মাথায় আসলে এটা বড় সতর্ক সংকেত।
একবার হারলে সেটা উশুল করতে আবার বাজি ধরা – এই চক্রটা বেশিরভাগ সময় আরও বেশি ক্ষতির দিকে নিয়ে যায়।
কতটা বাজি ধরছেন বা কতটা হারছেন সেটা কাছের মানুষদের কাছ থেকে গোপন করা মানে নিজেও বুঝতে পারছেন এটা ঠিক না।
বেটিং নিয়ে এতটাই ভাবছেন যে ঘুম হচ্ছে না বা স্বাভাবিক কাজে মন বসছে না – এটা উদ্বেগের লক্ষণ।
বাজিতে হারলে দীর্ঘ সময় মন খারাপ থাকা, রাগ বা হতাশা অনুভব করা – এগুলো মানসিক সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।
বেটিংয়ের জন্য কারো কাছ থেকে টাকা ধার নেওয়া বা ঋণ করা – এটা গুরুতর সমস্যার স্পষ্ট সংকেত।
উপরের যেকোনো একটা লক্ষণ দেখা দিলে Jilil-এর সাপোর্ট টিমে যোগাযোগ করুন অথবা লাইভ চ্যাটে কথা বলুন। বিচার করা হবে না – শুধু সাহায্য করা হবে।
Jilil-এ পাঁচটি বিনামূল্যের সুরক্ষা টুল আছে যা যেকোনো সময় ব্যবহার করা যায়। এগুলো আপনার অ্যাকাউন্ট সেটিংসে পাওয়া যায়।
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক – যেকোনো মেয়াদে জমা করার সর্বোচ্চ সীমা নিজেই ঠিক করুন। সীমা কমানো সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয়। বাড়ানো হলে ৭২ ঘণ্টা পর কার্যকর হয়।
সঙ্গে সঙ্গে কার্যকরনির্দিষ্ট পরিমাণ হেরে গেলে বেটিং স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এটা বড় একক ক্ষতি থেকে আপনাকে রক্ষা করে।
স্বয়ংক্রিয়এক বসায় কতক্ষণ বেটিং করবেন ঠিক করুন। সময় শেষ হলে একটা নোটিফিকেশন আসে এবং আরও কিছুক্ষণ পর অ্যাকাউন্ট অটো-লগআউট হয়।
কাস্টমাইজযোগ্য২৪ ঘণ্টা, ৭ দিন, ১ মাস বা ৬ সপ্তাহ – যেকোনো মেয়াদে বেটিং বন্ধ রাখুন। এই সময়ে ডিপোজিট বা বেটিং করা যাবে না।
বিভিন্ন মেয়াদদীর্ঘমেয়াদে বা স্থায়ীভাবে Jilil থেকে নিজেকে বাদ দিতে চাইলে সেলফ-এক্সক্লুশন বেছে নিন। ৬ মাস থেকে ৫ বছর বা স্থায়ী – যেটা চান। এটা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয় এবং এই মেয়াদে অ্যাকাউন্ট পুনরায় খোলা যাবে না।
সর্বোচ্চ সুরক্ষাJilil-এ যেকোনো সুরক্ষা টুল ব্যবহার করা খুব সহজ। কোনো ঝামেলা নেই, কারো অনুমতি লাগে না – নিজেই করতে পারবেন।
Jilil ওয়েবসাইট বা অ্যাপে আপনার মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
উপরের ডানে প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন, তারপর "অ্যাকাউন্ট সেটিংস" বা "নিরাপত্তা" মেনুতে যান।
সেটিংসে "দায়িত্বশীল খেলা" বা "Responsible Gaming" বিভাগটা খুঁজুন। সব টুল এখানেই পাবেন।
ডিপোজিট লিমিট, লস লিমিট বা কুলিং-অফ – যেটা দরকার সেটা বেছে নিয়ে পরিমাণ বা মেয়াদ দিন এবং কনফার্ম করুন।
সেট হওয়ার পর একটা নিশ্চিতকরণ বার্তা পাবেন। ডিপোজিট লিমিট সঙ্গে সঙ্গে কাজ করবে, সেলফ-এক্সক্লুশনও তাৎক্ষণিক।
Jilil-এ ১৮ বছরের নিচে কেউ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন না। নিবন্ধনের সময় জন্মতারিখ যাচাই করা হয় এবং KYC প্রক্রিয়ায় পরিচয়পত্রের ছবি দিয়ে বয়স নিশ্চিত করতে হয়। এই দুই ধাপের যাচাই নাবালকদের প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ রোধ করে।
পরিবারে যদি কোনো নাবালক থাকেন যে আপনার ডিভাইস ব্যবহার করেন, তাহলে কিছু সতর্কতা নেওয়া জরুরি।
যদি কোনো নাবালক অ্যাকাউন্ট খুলেছে বলে সন্দেহ হয়, তাহলে সাথে সাথে support@jilil.best-এ জানান। সেই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে সব তথ্য মুছে ফেলা হবে।
বেটিং সমস্যায় পড়লে একা মোকাবেলা করার দরকার নেই। Jilil-এর সাপোর্ট টিম ছাড়াও কিছু সাহায্যের পথ আছে।
সাহায্য চাওয়া দুর্বলতার লক্ষণ না – এটা সাহসের কাজ। Jilil-এর টিম কখনো বিচার করে না, শুধু সমাধান খোঁজে।
এই সহজ প্রশ্নগুলোর মাধ্যমে বুঝুন আপনার বেটিং অভ্যাস কোথায় আছে। উত্তর সৎভাবে দিন।
Jilil প্রতি বছর দায়িত্বশীল বেটিং কার্যক্রমে কতটা বিনিয়োগ করছে এবং সদস্যরা কতটা সাড়া দিচ্ছেন সেটার একটা ধারণা।